বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিয়ানমারকে সামরিক ইন্ধন দিচ্ছে ভারত!

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিয়ানমারকে সামরিক ইন্দন দিচ্ছে ভারত।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার মধ্যে সবথেকে বড় ইস্যু হচ্ছে রোহিঙ্গা ইস্যু। প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ ভারত থেকে এই সমস্যা সমাধানে সক্রিয় সমর্থন পাবে এটাই সবার আশা ছিল। কিন্তু বিধির বাম! সবাইকে তাক লাগিয়ে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত বাংলাদেশের পক্ষপাতিত্ব না করে মিয়ানমারকে সামরিক সাহায্য করছে। ভারত বাংলাদেশকে সব সময় বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে বলে আসলেও বর্তমান সময় রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরাসরি মায়ানমার কে সমর্থন করার কারণে অনেকেই এই সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

কিন্তু কেন করছে এসব ভারত.?

 

কেনইবা ভারতের সাথে বাংলাদেশের এত সুসম্পর্ক থাকার পরেও রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারকে সমর্থন করেছে ভারত.?

 

এমন নানারকম প্রশ্ন ঘুরছে সাধারণ মানুষের মনে। আসুন দেখা যাক এত সব কিছু করার পর এতে ভারতের কি লাভ!

অনেক রাজনীতিবিদরা মনে করেন বর্তমান সময়ে চীন বাংলাদেশকে তাদের বাজারে কর মুক্তভাবে ব্যবসা করতে দেওয়ায় ভারত মনে করছে বাংলাদেশের উপর চীনের প্রভাব রাখতে চীন এমনটা করেছে তাই বাংলাদেশকে চাপে রাখতে সরাসরি  ভারত মায়ানমার কে সামরিক ইন্ধন দিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়াও ভারত এবং মিয়ানমার সামরিক সম্পর্ক শুরু করে 2013 সালে। ওই একই বছর ভারত মিয়ানমারকে 500 মিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়ার প্রস্তাব করে যার মূ ল উদ্দেশ্য ছিল ভারত তাদের তৈরি অস্ত্র মিয়ানমারের কাছে বিক্রি করা যে অস্ত্রগুলো বাইরের কোন দেশ কিনতে কোন আগ্রহ দেখায় না। এছাড়াও ভারত মিয়ানমার কে সকল ধরনের সামরিক খাতে সকল ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ভারত। যা থেকে বোঝা যায় পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ ভাবে মিয়ানমারের হুটহাট করে সকল ধরনের দুঃসাহসী কাজ করার পেছনে ভারতের ইন্ধন রয়েছে। ভারত সব সময় চাইতো বাংলাদেশ অর্থনৈতিক রাতে ও সামরিক খাতে ভারতের দ্বারস্থ হোক।৷ কিন্তু বাংলাদেশ নিজেদের উন্নয়নের কথা ভেবে অর্থনৈতিক খাতে ও সামরিক খাতে চীনের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে যা সবসময়ই ভারত হিংসাত্মক এ দেখে আসছে।

আর এসব কারনেই বাংলাদেশ ও চীনকে চাপে রাখতে মায়ানমাকে সমরিক খাতে সাহায্য করছে। যা বাংলাদেশের জন্য এক ধরনের হুমকি।

 

Scroll to Top